বিস্তারিত

হাতীবান্ধায় জমিতে পানি না দেয়ায় সেচ পাম্প মালিককে মারধর

আপডেট টাইম : 3 weeks ago
হাতীবান্ধায় জমিতে পানি না দেয়ায় সেচ পাম্প মালিককে মারধর

পরিমল চন্দ্র বসুনিয়া, লালমনিরহাট: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় ইরি ধান ক্ষেতে পানি দেয়ার বাকি টাকা চাওয়ায় ও জমিতে দিতে রাজি না হাওয়ায় খলিলুর রহমান (৫০) নামে এক সেচ পাম্প মালিককে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে সেলিম হোসেন (২৭) এবং তার লোকজন এর বিরুদ্ধে।

 

এদিকে ঘটনার ১৩ দিন পেরিয়ে গেলো আজও কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। গত সোমবার (১০ মে) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম বেজগ্রাম (৭ নং ওয়ার্ড) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

এ ঘটনায় সেচ পাম্পের মালিক খলিলুর রহমানের বোনের স্বামী মতিয়ার রহমান বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় মামলার ১৩দিন পার হলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ফলে ওই ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান তারা।

 

অভিযুক্তরা হলেন- হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম বেজগ্রাম এলাকার সেলিম হোসেন (২৭), মিঠু ইসলাম (৪০), জয়নাল উদ্দিন (৬০), লাকী বেগম (২৩), মনোয়ারা বেগম (৫৮) এবং রত্না খাতুন (২৩)।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মে আসামি সেলিম হোসেন তার ইরি ধান ক্ষেতে পানি দেওয়ার জন্য সেচ পাম্প মালিক খলিলুর রহমানকে চাপ দিতে থাকে। সেচ পাম্প থেকে পানি দেয়ার বাকি টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত নতুন করে পানি দিতে অস্বীকৃতি জানান খলিলুর রহমান।

 

এ ঘটনায় আসামিরা তার উপর ক্ষিপ্ত হন। তারা ধান ক্ষেতে পানি না দেওয়ার জের ধরে সেচ পাম্প মালিক খলিলুর রহমানকে কঠিন শিক্ষা দেয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের যোগ সাজস ও শলাপরামর্শ করতে থাকেন। এমতাবস্থায় ওইদিন বিকালে খলিলুর রহমান পশ্চিম বেজগ্রাম মাদ্রাসা হতে বাইসাইকেল যোগে বাড়ি আসার সময় উপরোক্ত আসামিরা বে-আইনি জনতায় দলবদ্ধ হয়ে হাতে থাকা বাঁশের লাঠি, খাপর ও ধারালো ছোড়াসহ ভুক্তভোগী সেচ পাম্প মালিক খলিলুর রহমানকে আটক করে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করতে থাকে।

 

তাদের আঘাতে খলিলুর রহমান গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে আসামিরা খলিলুর রহমানকে ছেড়ে দিয়ে তার বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে বসতঘরের বিভিন্ন মুল্যবান আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। পরে স্থানীয়রা খলিলুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

 

এদিকে, আহত খলিলুর রহমান রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০দিন চিকিৎসা নিয়ে গত বুধবার (১৯ মে) নিজ বাড়িতে আসেন।

 

পরে শুক্রবার (২১ মে) আবারও গুরুতর অসুস্থতা দেখা দিলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয়।

 

হাতীবান্ধা থানার পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই, স্যার (ওসি) জানতে পারেন উনি বর্তমানে ছুটিতে আছে।

 

বিডি প্রভাত/জেইচ

নিউজটি শেয়ার করুন

খবর সম্পর্কিত ট্যাগ..

বিডি প্রভাত লালমানিরহাট
মন্তব্য দিন
We'll never share your email with anyone else.

শিরোনাম