বিস্তারিত

ভারতে অক্সিজেন সংকটে ৮ জনের মৃত্যু

আপডেট টাইম : 1 week ago
ভারতে অক্সিজেন সংকটে ৮ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্কঃ ভারতের রাজধানী দিল্লির অবস্থাও ভয়াবহ। শনিবার (১ মে) সেখানকার একটি হাসপাতালে অক্সিজেন সংকটে আট করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এই আটজনের মধ্যে একজন চিকিৎমকও রয়েছেন। অক্সিজেনের অভাবে তাদের মৃত্যুর ঘটনায় চরম উষ্মা প্রকাশ করেছেন দিল্লির হাইকোর্ট।

 

হাইকোর্ট জানিয়েছে, এবার কেন্দ্র সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে। যা যা প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে, সব পালন করতে হবে। রাজধানীতে অক্সিজেনের ক্রমবর্ধমান সংকট নিয়ে এই মর্মে দিল্লি হাইকোর্টের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়ে কেন্দ্র সরকার। সেই সঙ্গে শনিবারের মধ্যে দিল্লির জন্য বরাদ্দ ৪৯০ টন অক্সিজেন দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তা না দিতে পারলে আদালত অবমাননার মুখে পড়তে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

 

আদালত ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘যথেষ্ট হয়েছে। আপনারা কী বলতে চাইছেন, দিল্লিতে মানুষ মারা যাচ্ছে আর আমরা চোখ বন্ধ করে থাকব? আমরা বলছি, কাজ দরকার। পানি মাথার উপরে চলে উঠেছে। কেন্দ্রকে নির্দেশ দিচ্ছি, আজই ৪৯০ টন মেডিক্যাল অক্সিজেন যেভাবে হোক দিল্লিকে দিতে। কেন্দ্রকে অক্সিজেন ট্যাঙ্কারও জোগাড় করতে হবে। ২০ এপ্রিল এই পরিমাণ নির্দিষ্ট করা হয়েছিল এবং এক দিনও দিল্লি তা পায়নি। এই নির্দেশ বাস্তবায়ন না-হলে আমরা আদালত অবমাননা সংক্রান্ত প্রক্রিয়া শুরু করব।’

 

জানা গেছে, অক্সিজেনের অভাবে দিল্লির বাটরা হাসপাতালে যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে ছয়জন আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। বাকি দু'জন ওয়ার্ডে ছিলেন। যে চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে তার নাম আর কে হিমথানি। এ নিয়ে এক সপ্তাহে দ্বিতীয়বার এমন বিপর্যয় ঘটল।

 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে অক্সিজেন শেষ হয়ে যায়। ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট অক্সিজেন ছিল না। দুপুর দেড়টায় আবার অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়।’

 

তারা জানায়, যে সংস্থার কাছ থেকে অক্সিজেন পাওয়ার কথা ছিল, তারা সরবরাহ করেনি। সকাল ৭টার দিকে সরকার নিযুক্ত কর্মকর্তাদের জানানো হয়। কিন্তু তাতেও কোননো কাজ হয়নি। প্রয়োজনের তুলনায় কম অক্সিজেন দেয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ তাদের। হাসপাতালের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সুধাংশু বাঙ্কাটা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘মৃত্যুর সংখ্যা আটে থামবে না।

 

বিডি প্রভাত/আরএইচ

নিউজটি শেয়ার করুন

খবর সম্পর্কিত ট্যাগ..

ভারত
মন্তব্য দিন
We'll never share your email with anyone else.