বিস্তারিত

আসন্ন ঈদ উপলক্ষে বেড়েছে নতুন টাকার চাহিদা

আপডেট টাইম : 1 month ago
আসন্ন ঈদ উপলক্ষে বেড়েছে নতুন টাকার চাহিদা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নিয়মিত টাকা বেচা-কেনা হচ্ছে রাজধানী ঢাকার গুলিস্তানে। যদিও ভেঙে ফেলা মুন সিনেমা হলের সামনে এবং আন্ডার পাস বা পাতাল সড়ক ও মার্কেটের ওপরে টাকা বিক্রি হয় প্রায় ৫০ বছর ধরে। তবে, এখন চলমান লকডাউনে ঈদুল ফিতরের আগে বিক্রি কিছুটা বেড়েছে।

 

গুলিস্তান পাতাল মার্কেটের সিঁড়ির সামনের ফুটপাত ধরে দক্ষিণমুখী রাস্তা ধরে এ হাটটি বসে মূল রাস্তার দিকে মুখ করে। কম দামে টাকার বিনিময়ে নতুন টাকা, নতুন টাকার বিনিময়ে ছেঁড়া ও পুরান টাকা বিক্রি হচ্ছে এ ফুটপাতে। আবার ঈদের আগে টাকা দিয়ে টাকা বদল করে নতুন টাকার নোট নেন অনেকে।

 

গুলিস্তানে টাকা বিক্রির এ স্থানটি ঘিরেই অর্ধশতাধিকেরও বেশি মানুষ টাকা বেচা-কেনার ব্যবসা করছেন। এই ব্যবসা দিয়ে সংসার চলে তাদের সবার।

 

ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানে ঈদুল ফিতরের আগে সারা বছরের তুলনায় বিক্রি কিছুটা হলেও বেড়েছে। তবে, চাহিদা বেশি নতুন ১০ টাকার বান্ডেলের।

 

নতুন টাকার ব্যবসায়ী শহীদ বলেন, লকডাউন হলেও সারা বছরের তুলনায় টাকা বিক্রি কিছুটা বেড়েছে। তবে, গত রোজার ঈদে তো বিক্রিই হয়নি। এবার তো দোকান নিয়ে বসলাম। গত রোজার ঈদে লকডাউনে বসতেই পারিনি। যদিও গত রোজার তুলনায় এবারের রমজানের ঈদের আগে বিক্রি কিছুটা হলেও বেড়েছে।

 

গুলিস্তানের এসব টাকার দোকানে দুই টাকা থেকে শুরু করে ১০, ২০, ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত সব ধরনের নোটের নতুন বান্ডেল পাওয়া যাচ্ছে।

 

ব্যবসায়ীরা জানান, ‘ছেঁড়া টাকা নিয়ে অনেকেই বেকায়দায় পড়েন। যারা এই ছেঁড়া টাকা চালাতে পারেন না তাদের কাছ থেকে টাকার নির্ধারিত দামের চেয়ে কমমূল্যে নোটগুলো কিনে নেন তারা। এ ছাড়া নতুন নোটের বান্ডেলও তারা বিক্রি করেন। এ ক্ষেত্রে ১০০ টাকার ১০ হাজারের একটি বান্ডেল ১০ হাজার ৩০০ টাকা, ১০০ টাকার ১ হাজারের একটি বান্ডেল ১ হাজার ৩০ টাকা। ২০ টাকার ১০০টি নতুন নোট নিতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ৫০ টাকার ১০০টি নতুন নোট নিতে ৫০ টাকা, ১০০ টাকার ১০০টি নতুন নোট ৭০ থেকে ৮০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হয়।

 

বিডি প্রভাত/আরএইচ

নিউজটি শেয়ার করুন

খবর সম্পর্কিত ট্যাগ..

বিডি প্রভাত
মন্তব্য দিন
We'll never share your email with anyone else.

শিরোনাম