৭৮ বছর পার হলেও হতদরিদ্র সোনাবানের ভাগ্যে জুটেনি সরকারি অনুদান

৭৮ বছর পার হলেও হতদরিদ্র সোনাবানের ভাগ্যে জুটেনি সরকারি অনুদান

মু,হেলাল আহম্মেদ (রিপন) পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী সদর উপজেলা মাদার বুনিয়া ইউনিয়নের চালিতা বুনিয়া গ্রামে  আসমানীদের মতই জীবনযাপন করছেন হতদরিদ্র সোনাবান (৭৮)।

খোজ নিয়ে জানাযায়,সোনাবান মাদার বুনিয়া ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত্যু কাঞ্চন গাজীর স্ত্রী সোনাবান তিনি ১৫ আগষ্ট ১৯৪২ সনে তার জন্ম।

সোনাবানের টানা পোড়োনের সংসারে ১ পুএ ও ৩ কন্যা সন্তানের জননী, এই বৃদ্ধ মাতা। স্বামীর অকাল মৃত্যুতে তৎকালীন সময় সংসারে হাল ধরেছিলেন এই বৃদ্ধা। কালের আর্বতনে দারিদ্র্যতার কষাঘাতে পড়ে যায় এই বৃদ্ধা।

বর্তমানে সন্তানরা সারাদেশে কোভিট-১৯ মহামারী করোনার প্রাদুর্ভাবের কারনে কোথাও মিলছে না কাজ তাই অভাবের সংসারে হতভাগা মায়ের সুচিকিৎসা দিতে পারেনী সন্তানরা। বৃদ্ধ মায়ের চিকিৎসা ও ভরন পোষনের অভাব  মিটাতে না পেরে মাকে রেখে আসে বৃদ্ধাশ্রমে। শারিরীক অবস্থার কারনে থাকা হয়নি বৃদ্ধাশ্রমে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে নড়েচড়ে বসে গনমাধ্য কর্মীরা।

সরেজমিনে জানা যায়, ৭৮ বছর পার হলেও হতদরিদ্র সোনাবানের ভাগ্যে জুটেনি  সরকারি অনুদান! আবেগপ্লুত হয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, আমার জীবনতো শেষ হইয়্যা গেছে, হুনি কতো মানসে কত কিছু পায়? কই, আমারেতো কেউ খবরও লইনাই! মেম্বার, চেয়ারম্যানের কাছে গেলে কত কথা হুনতে হয়, হ্যা, আর কইয়া কি হইবে বাবা!  অগোছালো  কথা গুলো ৭৮ বছরের হতদরিদ্র সোনাবান তার জীবনের ইতিহাস তুলে ধরেন।

এবিষয় মাদার বুনিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো,মাসুদ’র কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কাছে এখন পর্যন্ত এই নামের কেউ আসেনি। আসলে অবশ্যই তাকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। আমরা সদাসর্বদা অসহায় হতদরিদ্রদের পাশেই আছি থাকব।

উক্ত ব্যপারে ইউপি চেয়ারম্যান মো,মিলন মাঝির সাথে কথা  বলতে তার মুঠোফোন ০১৭১২-৬৬৯২১৩ নাম্বারে একাধিক বার ফোন  করলেও ফোনটি রিসিভ হয়নি।

বিডি প্রভাত/আরএইচ

Spread the love