শীতে অজু করলে যে ফজিলত

শীতে অজু করলে যে ফজিলত

ইসলাম ডেস্ক: অজুর রয়েছে বহুবিধ উপকারিতা ও তাৎপর্য। এক. উত্তমরূপে অজু জান্নাতে যাওয়ার সহজ উপায়।

রাসূল (সা.) বলেছেন, শীতে অজুর রয়েছে আরও বেশি ফজিলত। প্রচ- ঠান্ডার কারণে অজু করতে অনেক কষ্ট হয়। এ কষ্ট সহ্য করে একজন মুমিন বান্দা অজু করে। এটা তার পূর্ণাঙ্গ ইমানের আলামত। এতে এই বান্দার মর্তবা মহান আল্লাহর কাছে অনেক বেড়ে যায়। তার গুনাহও মাফ হয়।

আমি কি তোমাদের এমন কাজের কথা বলব না, যাতে আল্লাহ তোমাদের পাপরাশি মিটিয়ে দেবেন এবং মর্যাদা সমুন্নত করবেন? সাহাবায়ে কিরাম আরজ করলেন। হে আল্লাহর রসুল! হ্যাঁ, অবশ্যই।

তিনি বললেন, তা হলো অসুবিধা ও কষ্ট সত্ত্বেও পূর্ণরূপে অজু করা, মসজিদে আসার জন্য অধিক পদচারণ এবং এক নামাজের পর অন্য নামাজের জন্য অপেক্ষা করা। জেনে রেখ! এটাই হচ্ছে রিবাত- প্রকৃত সীমান্ত প্রহরা। মুসলিম।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার একটি আমলের নাম অজু। নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, তাওয়াফ ইত্যাদির জন্য করতে হয়। এতে পানির সাহায্যে হাত-মুখ ধুতে হয়। কোনো অঙ্গ আবার মাসেহ করতে হয়। এটি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান।

এর মাধ্যমে মানুষের শারীরিক ও আত্মিক উৎকর্ষতা লাভ হয়। মুমিন বান্দা মহান আল্লাহর মহব্বতের পাত্র হতে পারে। আল কোরআনে এসেছে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং ভালোবাসেন পবিত্রতা অর্জনকারীদের।

নবীজি (সা.) বলেছেন, যখন কোনো মুসলমান উত্তমরূপে অজু করে। এরপর দাঁড়িয়ে মন লাগিয়ে খুশু-খুজুর সঙ্গে দুই রাকাত নামাজ পড়ে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। মুসলিম। দুই. অজু ইমানের অর্ধেক। অজুর মাধ্যমে মানুষ বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ উভয় রকম পবিত্রতা অর্জন করতে পারে।

বিডি প্রভাত/আরকে

Spread the love