শিল্পকারখানা বন্ধের বিষয়ে সরকারের আগের সিদ্ধান্তই বহাল

রফতানিমুখী শিল্প ১ আগস্ট থেকে কারখানা খোলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: গার্মেন্ট ও শিল্পকারখানা বন্ধের বিষয়ে সরকারের আগের সিদ্ধান্তই বহাল রাখার কথা জানালেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

আজ শনিবার ( ১৭ জুলাই) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির সদর দফতরে অনুষ্ঠিত বিজিবির ৯৬তম রিক্রুট ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে তিনি এসব কথা বলেন। 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন বলেছেন, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে লকডাউন শিথিল করলেও ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত যে লকডাউন আসছে তা কঠোর থেকে কঠোরতর হবে। সেসময় বন্ধ থাকবে গার্মেন্টস, শিল্প-কলকারখানাসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কুরবানিকে ঘিরে আমাদের বিশাল অর্থনীতি রয়েছে। অনেকে গরু প্রতিপালন করেছে। সবকিছু বিবেচনা করে চলাফেরার ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করতে হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যতদিন ভ্যাকসিন দেওয়া না হয় ততদিন মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। ঈদের পর ১৪ দিন যে লকডাউন আসছে তা কঠোর থেকে কঠোরতর হবে।

এর আগে সরকারঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে ঈদের পর শিল্প কারখানা খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন পোশাক শিল্প মালিকরা। বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতির নেতৃত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ দাবি জানানো হয়।

ওই সময়ে ফারুক হাসান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা শিল্প কারখানা খোলা রাখার দাবি জানিয়েছি। মন্ত্রিপরিষদ সচিব আমাদের জানিয়েছেন আগামী পরশু তারা বিষয়টি নিয়ে বৈঠক করবেন। বৈঠকের পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। আমরা শিল্প কারখানা খোলা রাখার দাবি জানিয়েছি কারণ শিল্প কারখানা যদি খোলা রাখা না যায়, তাহলে অর্থনীতিতে এটার একটা মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বিডি প্রভাত/জেইচ