রৌমারীতে কাজী সেজে প্রতারণার অভিযোগ

রৌমারীতে কাজী সেজে প্রতারণার অভিযোগ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের রৌমারীতে আলিম/ফাজিল পাশ না করেই কাজি (বিবাহ রেজিস্টার) সেজে দীর্ঘদিন যাবৎ বিয়ে পড়িয়ে আসছেন সাখাওয়াত হোসেন লিপন। এতে করে তরিঘরির বিয়ের অর্থাৎ বাল্যবিয়ের সংখ্যা বেড়েই চলছে। বিবাহ রেজিস্ট্রির নকল না পেয়ে ব্যাপক হয়রানি শিকার  হচ্ছেন রৌমারীবাসী।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, গোয়াল গ্রামের আবুল হাশেমের মেয়ে তাসলিমার সাথে ঢাকা পুস্তগোলা উপজেলার সিদ্দিক মুন্সির ছেলের সাথে বিবাহ হয় গত ৫ মাস আগে। সেখানে সাখওয়াত হোসেন লিপন কাজি পরিচয় দিয়ে বিবাহ রেজিস্ট্রি করেন। বিবাহের কিছুদিন পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য হলে আইনের আশ্রয় নিতে গিয়ে বিবাহের রেজিস্ট্রির নকলের প্রয়োজন হয়। পরে তার কাছে নকল চাইতে গেলে গত ১ মাস থেকে বিভিন্ন টালবাহনা শুরু করেন।

এছাড়াও রতনপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে নুর খাতুন এর সাথে একই ইউনিয়নের চর ফুলবাড়ি গ্রামের আবুল কালামের ছেলে গোলজার হোসেনের সাথে বিয়ে হয় এবং একই ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে কাজী পরিচয় দেওয়া সাখওয়াত হোসেন লিপন বলেন, দু’একটা বিবাহ রেজিস্ট্রি করাতে ইউএনও স্যার উপস্থিত ছিলেন। আমি ভুয়া হলে তিনি আমাকে বাধা দিতেন। ভুক্তভোগী পরিবার ভোটার আইডি কার্ড দিলে তাদেরকে রেজিস্ট্রির নকল দেওয়া হবে।

এবিষয়ে রৌমারী সদর ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শালু জানান, আমার ইউনিয়নে কাজি হিসেবে সাইফুল ইসলাম রয়েছে। অন্য কেউ কাজি পরিচয় দিয়ে অসংখ্য বাল্য বিয়ে পড়াচ্ছে আমি জানতে পেড়েছি। তাই ভুয়া কাজীকে থামানো অতি জরুরি। 

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান বলেন, সাখাওয়াৎ হোসেন লিপনের কথা বানোয়াট। আমি কেনো থাকবো বিয়ে পড়ানোর সময়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত চলমান রয়েছে অতিদ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিডি প্রভাত/আরএইচ