রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের আজ ৭৮তম জন্মদিন

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের আজ ৭৮তম জন্মদিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের জন্মদিন আজ। ৭৮ বছরে পা রাখলেন তিনি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রিয়ভাজন কামালপুর গ্রামের সদালাপী ও মিষ্টভাষী সেই ছাত্রলীগ নেতা এখন ৭৮ বছরের প্রবীণ এবং দেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি।

তার জন্মদিন উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ, হাওর উপজেলা ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৭৮ পাউন্ডের কেক কাটার ঘোষণা দিয়েছেন দলীয় নেতাকর্মী, শুভাকাক্সক্ষী ও স্বজনরা।

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা মিঠামইনের কামালপুর গ্রামে ১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন আবদুল হামিদ। তার বাবা মো. তায়েব উদ্দিন ও মা মোছা. তমিজা খাতুন। তিনি তিন ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের বাবা। তিনি ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৪ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন তিনি।

কামালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষাজীবন শুরু। এরপর ভৈরব কেবি স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েন। এসএসসি পাস করেন নিকলী উপজেলার গোড়াচাঁদ হাইস্কুল থেকে। কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক পাস করার পর ঢাকার সেন্ট্রাল ল’ কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি নিয়ে কিশোরগঞ্জ বারে আইন পেশায় যোগ দেন আবদুল হামিদ।

১৯৫৯ সালে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগে যোগ দেন। তিনি গুরুদয়াল কলেজ ছাত্র সংসদ থেকে প্রথমে জিএস ও পরে ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৬৪ সালে মহকুমা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৬১ সালে গুরুদয়াল কলেজের ছাত্র থাকা অবস্থায় আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়ে তিনি কারাবরণ করেন।

১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পরও তিনি গ্রেফতার হয়ে নির্যাতনের শিকার হন। ১৯৭৮ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৫ আসন থেকে নির্বাচিত হন আবদুল হামিদ। ১৯৮৬ সালের তৃতীয় সংসদ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ, ১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ, ২০০১ সালের অষ্টম সংসদ এবং সর্বশেষ ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

সপ্তম সংসদে ১৯৯৬ সালের ১৩ জুলাই থেকে ২০০১ এর ১০ জুলাই পর্যন্ত ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালনের পর ২০০১ এর ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্পিকার হিসাবে সংসদ পরিচালনা করেন আবদুল হামিদ। আর নবম সংসদে নির্বাচিত হওয়ার পর দ্বিতীয়বারের মতো স্পিকার হন।

বিডি প্রভাত/আরকে

Spread the love