মহাসড়কের যানজট এড়াতে আকাশপথে যাত্রীদের ভিড়

মহাসড়কের যানজট এড়াতে আকাশপথে যাত্রীদের ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে লকডাউন শিথিলের পর থেকে সারাদেশে গণপরিবহন চলাচল শুরু করেছে। সড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট, টার্মিনালে বাস সংকট, টিকিট সংকট, বাড়তি ভাড়া আদায়- এসব সহ্য করেই বাড়ি যাচ্ছেন মানুষ। এছাড়া আছে ফেরিঘাটে গাড়ির দীর্ঘ সারি। ফেরিতে উপচে পড়া ভিড়। নৌপথের চিত্রও প্রায় একই রকম।

এই যানযট থেকে মুক্তির জন্য হঠ্যাৎ করে আকাশপথে চাপ বেড়েছে। এয়ারলাইনসগুলো যাত্রীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের ৯৫ ভাগ টিকিট বিক্রি শেষ। তবে যেসব টিকিট বিক্রি হয়নি, সেগুলো একটু বেশি দাম।

জানা গেছে, সড়ক পথে তীব্র যানজট ও করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় আকাশপথেই মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। এতে শহর থেকে যারা গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন তাদের অনেকেই আকাশপথে যাত্রা করতে চাচ্ছেন। কারণ সড়ক পথে স্বস্তি নেই।

এয়ারলাইনসগুলো আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত ফ্লাইটসূচি সাজিয়েছে। রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রতিদিন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে তিনটি, সৈয়দপুরে তিনটি, কক্সবাজারে দুটি, যশোরে দুটি, সিলেটে দুটি, রাজশাহীতে একটি এবং বরিশালে একটি করে ফ্লাইট রয়েছে।

আন্তর্জাতিক মানের সেবায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স - পর্যটন বিচিত্রা

বেসরকারি এয়ারলাইনস নভোএয়ারের ফ্লাইট রয়েছে প্রতিদিন চট্টগ্রাম, সৈয়দপুর, যশোরে ছয়টি করে, বরিশালে চারটি, সিলেটে তিনটি, রাজশাহীতে তিনটি এবং কক্সবাজারে দুটি করে।

আর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ফ্লাইট ঘোষণা করেছে দৈনিক ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে পাঁচটি, কক্সবাজারে দুটি, সৈয়দপুরে সাতটি, যশোরে ছয়টি, সিলেট, বরিশাল ও রাজশাহীতে চারটি করে ফ্লাইট।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিপণন ও জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে আগামী ১৯ জুলাই পর্যন্ত ঢাকা থেকে যাওয়ার প্রায় সব টিকিটই বিক্রি হয়েছে। ২০ ও ২১ জুলাইয়ের কিছু টিকিট রয়েছে।

কোরবানির গরুবাহী ট্রাক ও ঘরমুখো মানুষের গাড়ির চাপের কারণে মহাসড়কে সড়কে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

বিডি প্রভাত/জেইচ