ভোলায় আসা লঞ্চ-ট্রলার গুলো স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা নেই

ভোলায় আসা লঞ্চ-ট্রলার গুলো স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা নেই

আর জে শান্ত, ভোলাঃ আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কঠোর লকডাউন শিথিল করার আজ ৪র্থ দিনে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন দৃশ্য চোখে পড়ছে না। স্বাস্থ্যবিধির কোন তোয়াক্কা না করে ঢাকা থেকে দ্বীপ জেলা ভোলায় আসা লঞ্চ গুলো ও বরিশাল থেকে ভোলায় আসা লঞ্চ গুলো এবং লক্ষ্মীপুর থেকে জেলার শহর ভোলায় আসা সি-ট্রাক, লঞ্চ ও অবৈধ ট্রলারে করে প্রতিনিয়ত ভোলায় আসছে হাজার হাজার যাত্রী।

রবিবার (১৮ জুলাই) বিকালে ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোলা ভেদুরিয়া লঞ্চ ঘাট, ভোলা খেয়া ঘাট, ভোলা ইলিশা লঞ্চ ঘাট দিয়ে সি-ট্রাক ও লঞ্চ যোগে যাত্রীরা ভোলায় এসে পৌঁছে। এসময় ঈদ করতে ভোলায় আসা যাত্রীদের ঢল নামে এই ঘাট গুলোতে। এবং আসা লঞ্চ ও সি-ট্রাক গুলোতে কোন রকম তিল ধারনের জায়গা ও ফাকা ছিলো না।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধির কোন তোয়াক্কা না করে লঞ্চ মালিকরা ধারণক্ষমতার কয়েকগুণ অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে গাদাগাদি করে ভোলায় আসছে। তাছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠান বিআইডব্লিউটিসি’র সি-ট্রাক গুলোতে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে স্বাস্থবিধি না মেনেই । সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সিটে বসার কথা থাকলে ও তা মানা হচ্চ্ছে না । যাত্রীদের বেশির ভাগেরই মুখে নেই কোন মাস্ক।

স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে নৌযান কর্তৃপক্ষের ছিলো না কোন তৎপরতা। এছাড়া ও নির্ধারিত ভাড়ার চাইতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করছে যাত্রীরা। এবং ঘাট টিকিটের নামে চলছে যাত্রীদের হয়রানি। এছাড়া ছোট ট্রালার চলা নিষিদ্ধ হলে ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভোলার মেঘনা নদীর ডেঞ্জার জোন দিয়ে লক্ষ্মীপুর থেকে ছোট ছোট ট্রলারে করে শত শত যাত্রী আসতে থাকলে ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ছিলো না কোনো নজরদারি।

সুশিল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, এরকম চলতে থাকলে ভোলা জেলায় করোনার অবস্থা করুন হয়ে পড়বে। এবং তখন চিকিৎসা ব্যবস্থ হুমকির মুখে পড়বে। তাই প্রশাসনে উচিত এখনই নজর দেওয়া এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।

বিডি প্রভাত/আরএইচ