ব্যস্ততা নেই সাভার চামড়া শিল্প নগরীতে, শ্রমিকসংকটে চামড়া পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে

ব্যস্ততা নেই সাভার চামড়া শিল্প নগরীতে, শ্রমিকসংকটে চামড়া পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনার সংক্রমণ রোধে শুক্রবার থেকে দেশে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করায় ট্যানারি শ্রমিকদের কর্মব্যস্ততা ছিলো না সাভার চামড়া শিল্প নগরীতে।

যাতায়াতের নিজস্ব কোনো ব্যবস্থা না থাকায় লকডাউনের কারণে হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শ্রমিকরা সাভারের চামড়া শিল্প নগরীতে কাজে যোগ দিতে আসতে পারেনি। এছাড়া করোনা ও লকডাউনের কারণে অনেক শ্রমিক ঢাকা ছেড়ে চলে যাওয়া স্বল্প শ্রমিক দিয়ে গত দুদিন কাজ করিয়েছেন ট্যানারি মালিকরা। 

সরেজমিনে সাভার চামড়া শিল্প নগরী ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি ট্যানারির মূল ফটক বন্ধ রয়েছে। হাতেগোনা মাত্র কয়েকটি ট্যানারির মূল ফটক খোলা থাকলেও সেখানে গিয়ে লক্ষ্য করা যায়নি শ্রমিকদের কর্মব্যস্ততা। 

ট্যানারিটির কাঁচা চামড়ার দায়িত্বে থাকা কালাম মুন্সী গরমের সময়টা কোরবানির অনুকূলে নয় দাবি করে বলেন, শীতের সময় একটি চামড়া আট ঘণ্টার জায়গায় ১০-১২ ঘণ্টাও রাখা যায়। কিন্তু গরমে আট ঘণ্টা একটি চমড়া লবণ ছাড়া রাখা অসম্ভব।

তিনি অভিযোগ করেন, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট এবং কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার এখনো পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় ইউরোপিয়ান বায়াররা তাদের কাছ থেকে চামড়া কিনছে না।

মেসার্স গোল্ডেন লেদার ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যাবসায়িক অংশীদার জাফর চৌধুরী বলেন, গত দুই দিন ধরে বৃষ্টির কারণে অনেক চামড়া নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টির পানি চামড়ার জন্য ক্ষতিকর, এটা এসিডের মতো কাজ করে।

তিনি আরো বলেন, ঈদের দিনের চামড়া লবণ না মাখিয়ে পরের দিন সকালে ট্যানারিতে বিক্রি করতে নিয়ে আসে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। সেই চামড়া নামাতে নামাতে বিকালে দেখা যায় সবগুলোই নষ্ট হয়ে গেছে।

বিডি প্রভাত/জেইচ