দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত স্কুলছাত্রী আনুশকা

দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত স্কুলছাত্রী আনুশকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: কুষ্টিয়ায় গ্রামের বাড়িতে দাদা-দাদির কবরের পাশে শায়িত হলো রাজধানীর কলাবাগানে ধর্ষণের পর হত্যার মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিন (১৭)।

শনিবার (৯ জানুয়ারি) সকালে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কমলাপুরের গোপালপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে সকাল ৭টা ৫ মিনিটে গোপালপুর ঈদগাহ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) লাশ নিয়ে ঢাকা থেকে রাত ১টার দিকে নিজ বাড়িতে আসে। লাশ আসার পর নিকটতম আত্মীয়-স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। বারবার মুর্ছা যাচ্ছিলেন বাবা আল আমিন আহম্মেদ। ভোর থেকেই শত শত মানুষ তাকে শেষবার দেখতে ভিড় করেন। পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

আরও পড়ুন: স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা : প্রতিবেদন ২৬ জানুয়ারি

জানাজাতেই অংশ নিয়ে মানুষ এই হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। দাফন শেষে তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকারীর দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ফাসিঁর দাবিতে মানববন্ধন করে এলাকাবাসী। কমলাপুর বাজারে সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে শত শত মানুষ এই মানববন্ধনে অংশ নেয়।

প্রসঙ্গত, গত ৭ জানুয়ারি দুপুর ১২টার দিকে স্কুলছাত্রী আনুশকাকে প্রেমে প্রলুব্ধ করে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে কৌশলে বাসায় নিয়ে যায় তার বন্ধু তানভীর ইফতেফার দিহান। সেখানে বিকৃত যৌনাচারে তার রক্ষক্ষরণ হলে হাসপাতালে নেন দিহান। হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে ওই শিক্ষার্থীকে (১৭) ধর্ষণের পর হত্যা মামলার একমাত্র আসামি তানভীর ইফতেফার দিহান (১৮) আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) রাতেই ওই স্কুলছাত্রীকে (১৭) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় তার বন্ধু তানভীর ইফতেফার দিহানকে (১৮) একমাত্র আসামি করে কলাবাগান থানায় মামলা করেন নিহতের বাবা আলামিন।

বিডি প্রভাত/জেইচ