গোপালগঞ্জে শেষ রং তুলির আঁচড়ে দূর্গা মায়ের মুখে হাসি

গোপালগঞ্জে শেষ রং তুলির আঁচড়ে দূর্গা মায়ের মুখে হাসি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: শরতের নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর অপরূপ দৃষ্টি নন্দন কাশবন যেন জানান দিচ্ছে দেবীর আগমনী বার্তা। ষষ্ঠি পূজা ও দেবী বোধনের মধ্যদিয়ে শুভ সূচনা হবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। সেজন্য রবিবার দিন রাত্রি অক্লান্ত পরিশ্রম করে প্রতিমায় শেষ রং তুলির আঁচড়ের কাজ সমাপ্তি করছেন প্রতিমা শিল্পীরা।

হিন্দু শাস্ত্রীয় মতে, প্রতি বছরই মা দূর্গা কোনো না কোনো বাহনে চড়ে মর্তে আসেন। সনাতন ধর্মের সব চেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজার
আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে ১১ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্যদিয়ে এবং শেষ হবে ১৫ অক্টোবর শুক্রবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে।

এ বছর জেলায় ১ হাজার ২২৮টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে গোপালঞ্জ সদরে ৩২১টি, কোটালিপাড়ায় ২৯০টি, মুকসুুদপুরে ২৮৭টি, কাশিয়ানীতে ২৩৪টি ও টুঙ্গিপাড়ায় ৯৬টি পূজা মন্ডপ রয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি মন্ডপে পূজার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এবার দেবী দূর্গা আসবেন ঘোটকে চড়ে এবং যাবেন দোলায় চড়ে। ঘোটকে চড়ে আসায় এবার পৃথিবী ধন-ধান্যে ও পুষ্পে পূর্ণ হবে।

সভাপতি ডাঃ অসিত কুমার মল্লিক জানান, এবারে সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে গোপালগঞ্জে দুর্গা পূজা নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হবে এবং এ লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, পূজাকে ঘিরে গোপালগঞ্জে সর্বত্র উৎসবের আমেজ বইছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে দুর্গা পূজা শেষ করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

বিডি প্রভাত/জেইচ

Spread the love