গণমাধ্যম কর্মীকে এক্সিকিউটিভ বানান লিখতে বলায় ম্যাজিস্ট্রেটের বদলী

গণমাধ্যমকর্মীকে এক্সিকিউটিভ বানান লিখতে বলায় ম্যাজিস্ট্রেটের বদলী

আবু সাঈদ শাকিল. নোয়াখালী: গত বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) দুপুর ১.২০ মিনিটের সময় ঢিলেঢালা লকডাউনের সংবাদ ও ছবি সংগ্রহ করে বসুরহাট বঙ্গবন্ধু চত্বরে (জিরোপয়েন্ট) অতিক্রমকালে দায়িত্বরত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ফরম্স স্টেশনারী ও লাইব্রেরী শাখার সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মংচিংনু মারমা দুই গণমাধ্যমকর্মী ডেকে পরিচয় জানতে চান।

তারা পরিচয় দেয়ার পর পরিচয় পত্র দেখতে চান। তারা তা প্রদর্শন করেন। পরে তিনি তাদেরকে এক্সিকিউটিভ বানান লিখতে বলেন। গণমাধ্যমকর্মীরা সংবাদ প্রকাশের জন্য তার নাম জিজ্ঞেস করলে তিনি না বলে সাথে থাকা একজন কর্মচারী কে নামটি বলতে বলেন। সেখানে একজন সিনিয়র সাংবাদিক ও ছিলো। পরে তারা এই বিষয়টি নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খানকে মোবাইলে অবহিত করলে তিনি তা দেখবেন বলে আশ্বস্ত করেন। তিনি তাকে অন্নত্রে বদলি করে দিয়েছেন এবং এখানে নতুন একজন পাঠিয়েছেন।

তারা আরো অভিযোগ করেন, এ সময় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ও ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা চারপাশে দাঁড়িয়ে দেধারছে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে যাত্রী উঠানামা করাচ্ছে। সেদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপও নেই তার। তার উপস্থিতিতে মানুষের ভিড় ও গণপরিবহনে যাত্রী উঠানামা করার দৃশ্য ধারণ করতে চাইলে তিনি তাতেও বাধা দেন।

এ বিষয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মংচিংনু মারমা’র সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, গণমাধ্যমকর্মীরা বিষয়টি এভাবে নিবেন আমি তা ভাবিনি। তিনি বিষয়টির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

বিডি প্রভাত/জেইচ