কুয়াকাটায় ১২ মাস শুটকির চাহিদা থাকলেও নেই কোন স্থায়ী পল্লী

কুয়াকাটায় ১২ মাস শুটকির চাহিদা থাকলেও নেই কোন স্থায়ী পল্লী

মু,হেলাল আহম্মেদ(রিপন), পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালী জেলার সাগর কন্যা খ্যাত সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় মূল সৈকতের পশ্চিমে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরেই খাজুঁরায় রয়েছে একটি শুটকি পল্লী।

জানাযায়, কীটনাশক ব্যবহার ছাড়াই এরা প্রাকৃতিকভাবে বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ শুকিয়ে বাজারজাত করা হয় কুয়াকাটার শুটকি।

এছাড়াও প্রাকৃতিকভাবে শুকানোর ফলে এর রয়েছে আলাদা স্বাদ। কুয়াকাটায় আসা পর্যটক-দর্শনার্থীদের কাছে প্রতিদিন শতাধিক কেজি শুটকি বিক্রির সুযোগ রয়েছে এদের। তাই ১২ মাস শুটকির চাহিদা থাকলেও নেই কোন স্থায়ী পল্লী।

আরও পড়ুন: কবর খুঁড়তেই দেখা গেল আরবি হরফের ছাপ

স্থায়ীভাবে  সরকারি উদ্যোগে শুটকি পল্লীর জন্য স্টল ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা করলে এখানকার শুটকি হয়ত উন্নত বিশ্বে রফতানি করা সম্ভব হত বলে মনে করছেন। পর্যটন কেন্দ্রে ঘুড়তে আশা মোঃ শাফিন আহম্মেদ, জামাল আকন, রিয়াজুল ইসলাম সহ আরো অনেকেই এমনটাই আশা ব্যক্ত করেন।

এবিষয় কুয়াকাটা মহিপুর শুটকি পল্লীর ব্যবসায়ী মোঃ রুস্তুুম আলী সাথে সাক্ষাৎ কালে তিনি বলেন, মোরা যে যার মত হইরা মাছ হুগাইয়া বাজারে বেচি। সরকার যদি মোগো দিগে একটু  নজর দেতে হ্যালে মোরাও লাভবান হইতাম সরকার ও হইতো। সরকারের কাছে মোর জোড় আবেদন হুটকি পল্লীতে মোরা সরকারি অনুদান পাই। এইভাবে  অগোছালো কথাগুলো বললেন তিনি।

বিডি প্রভাত/আরকে