একুশ বছরে পদার্পণ করলো বশেমুরবিপ্রবি

একুশ বছরে পদার্পণ করলো বশেমুরবিপ্রবি

জয়নাল আবেদীন জিহান, বশেমুরবিপ্রবি (গোপালগঞ্জ): গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) আজ ৮ জুলাই, ২০২১ এ একুশ বছরে পদার্পণ করল। এ নিয়ে অাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ কিউ এম মাহবুব একটি শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন।

বশেমুরবিপ্রবির ২০ তম প্রতিষ্ঠা-বার্ষিকী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সীমিত পরিসরে উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ (০৮ জুলাই) সকাল ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. কিউ. এম মাহবুব।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রেজিস্ট্রার মোঃ আবদুর রউফ, আইন অনুষদের ডিন ড. মোঃ রাজিউর রহমান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মোঃ কামরুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। অনুষ্ঠানে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. কিউ. এম মাহবুব তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে সকলকে শুভেচ্ছা জানান।

পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান করেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে বিকেল ৫.৩০ এ অনলাইনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর এবং সভাপতিত্ব করেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. কিউ. এম মাহবুব।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালনের জন্য ২০১২ সালে ১৪ জুলাই রিজেন্ট বোর্ডের ৭ম সভায় প্রতিবছর ৮ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। জাতির জনকের নামাঙ্কিত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই অনেক বাধার সম্মুখিন হয়। বিএনপি-জামাত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করে।

২০০৯ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিশ্ববিদ্যালয়টি পুনরায় চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। ২০ জানুয়ারি ২০১০ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর আইন বাস্তবায়নের জন্য সরকার এসআরও জারি করে। ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টির একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
বর্তমানে এ বিদ্যাপীঠে ৭ টি অনুষদ এবং ৩ টি ইনস্টিটিউটের অধীনে ৩৪ টি বিভাগে প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যায়নরত আছে। রয়েছে বিদেশী শিক্ষার্থীও। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা তাদের প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি একসময় দেশসেরা বিদ্যাপীঠ হয়ে উঠবে।

বিডি প্রভাত/আরএইচ