অফিসের ছাদে সবজিবাগান

অফিসের ছাদে সবজিবাগান

মোঃ জুনেদ আহমদ, (শ্রীমঙ্গল) মৌলভীবাজার: দ্বিতল অফিস ভবন। নিচ তলায় অডিটরিয়াম, গ্যারেজ ও গুদাম। ওপরের তলায় অফিস। আর এই ভবনের ছাদে করা হয়েছে ফল-সবজি চাষ।

নানান জাতের ফল ও বিভিন্ন সবজিতে ভরে গেছে ভবনের ছাদ। ছাদজুড়েই যেন সবুজের সমারোহ। দৃষ্টিনন্দন এই ছাদকৃষি চোখে পড়ে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার কৃষি অফিসে। আর কৃষি অফিসে আসা কৃষকরা এ ছাদবাগান থেকে কৃষির নতুন নতুন পদ্ধতি নিজ চোখে দেখে যেতে পারছেন। উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন এ অফিসে আসা অন্যরাও।

সরেজমিন দেখা যায়, এই অফিসের ছাদে লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে ফ্রেম তৈরি করে প্লাস্টিকের ড্রাম দুই ভাগ করে কেটে মাটি ভরে সেই ফ্রেমের মধ্যে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছাদের এক পাশে লাগানো রয়েছে ব্রোকলি, বেগুন, টমেটো, লেটুস, মরিচ, কেপসিকাম, পিঁয়াজ, রসুন, লাউ, করলা, পুঁইশাক।

আর অন্য পাশে লাগানো হয়েছে আম, মাল্টা, লেচু, বারোমাসি আমড়া, জামরুল, কুল ও ড্রাগন ফলের গাছ। এসব গাছে ঝুলে আছে ফুল-ফল।
স্থানীয় কৃষি অফিস জানায়, দিন দিন আমাদের দেশে ফসলি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। কিন্তু বাড়ছে খাদ্যের চাহিদা। আর শহরের আবহাওয়াও দূষিত হয়ে গেছে। তাই মানুষ যদি ছাদে ছোট একটি ফল বাগান বা সবজি বাগান করে তাহলে একদিকে যেমন ফ্রেশ জিনিস খেতে পারবেন, অন্যদিকে অক্সিজেনের পরিমাণও বাড়বে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন মোনালিসা সুইটি বলেন, ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরে মেট্র্রোপলিটন কৃষি অফিসার রয়েছেন। তারা ঘুরে ঘুরে বড় ভবনের ছাদে ছাদবাগান করার জন্য মানুষকে উৎসাহিত করেন। আমার অফিসের ছাদে ছাদবাগান করার কারণ হলো এটা দেখে এ উপজেলার মানুষও তাদের বাসাবাড়ির ছাদে ছাদবাগান করতে উদ্বুদ্ধ হবে। তাছাড়া বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিতে এ অফিসে অনেক কৃষক আসে। তখন কৃষকদের ছাদ নিয়ে হাতে-কলমে বিভিন্ন পদ্ধতি শিখিয়ে দিতে পারি।

বিডি প্রভাত/আরএইচ